বাসাইল উপজেলা

বিলের সৌন্দর্য, তাঁতের কারুকার্য এবং ধলেশ্বরী তীরের সমৃদ্ধ জনপদ

বাসাইল উপজেলা ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল জেলার একটি অত্যন্ত শান্ত, সুনিবিড় এবং ঐতিহাসিকভাবে সমৃদ্ধ প্রশাসনিক অঞ্চল। টাঙ্গাইল জেলা সদর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত এই জনপদটি মূলত তার সুবিশাল ‘বাসাইল বিল’ এবং ‘চাপড়া বিল’-এর জন্য পরিচিত। বর্ষাকালে এই উপজেলাটি এক অপরূপ জলমগ্ন রূপ ধারণ করে, যা একে ‘টাঙ্গাইলের খুদে ভেনিস’ হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে। ২০২৬ সালের এই সময়ে পরিবেশবান্ধব পর্যটন এবং ডিজিটাল ক্ষুদ্র শিল্পের প্রসারের ফলে বাসাইল এখন একটি ‘স্মার্ট ইকো-ট্যুরিজম ও ক্রাফট জোন’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।


রাষ্ট্র গঠন ও ঐতিহাসিক পটভূমি

বাসাইলের ইতিহাস মূলত প্রাচীন আতিয়া পরগনার ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর ‘কাদেরিয়া বাহিনী’-র একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ঘাঁটি ছিল বাসাইল। বিশেষ করে কামুটিয়া যুদ্ধ এবং হাবলা এলাকার প্রতিরোধ যুদ্ধ এই অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে।

সংক্ষিপ্ত ঐতিহাসিক ধারা

সময়কালগুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা
মোগল ও ব্রিটিশ আমলআতিয়া পরগনার অংশ এবং পরবর্তীকালে দেলদুয়ার ও করটিয়ার জমিদারদের প্রভাবাধীন এলাকা।
১৯১৩ব্রিটিশ শাসন আমলে বাসাইল থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭১মহান মুক্তিযুদ্ধে কাদেরিয়া বাহিনীর দুর্ধর্ষ গেরিলা যুদ্ধের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।
১৯৮৩বাসাইল থানাকে পূর্ণাঙ্গ উপজেলায় উন্নীত করা হয়।
২০২৬বাসাইল বিল কেন্দ্রিক আধুনিক পর্যটন ও ফিশারিজ হাবে রূপান্তর।

বাসাইলের ইতিহাস মূলত বিলের ঢেউ, তাঁতীদের সুনিপুণ বুনন আর মুক্তিযোদ্ধাদের অকুতোভয় প্রতিরোধের ইতিহাস।


মৌলিক উপজেলা তথ্য

বিভাগতথ্য
জেলা ও বিভাগটাঙ্গাইল জেলা, ঢাকা বিভাগ
পৌরসভা১টি (বাসাইল পৌরসভা)
ইউনিয়ন সংখ্যা৬টি
আয়তন১৫৭.৭৭ বর্গকিলোমিটার
জনসংখ্যা (২০২৬ আনু.)প্রায় ২.৩ লক্ষ (২৩০,০০০)
প্রধান নদীসমূহধলেশ্বরী, লৌহজং ও বংশী (আংশিক)
বিশেষ পরিচয়বিল ও ঐতিহ্যের জনপদ

সরকার ও রাষ্ট্রব্যবস্থা

বাসাইল উপজেলা প্রশাসন বর্তমানে জলমহাল ব্যবস্থাপনা এবং ক্ষুদ্র কুটির শিল্পের উন্নয়নে বিশেষভাবে মনোযোগী।

পদবর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি/সংস্থা
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)প্রশাসনিক ও সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়কারী
উপজেলা চেয়ারম্যানস্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রধান
মেয়র/প্রশাসকবাসাইল পৌরসভার প্রধান নির্বাহী
এসিল্যান্ড (AC Land)উপজেলার ভূমি ব্যবস্থাপনা ও ডিজিটাল রেকর্ড তদারকি প্রধান

প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো

বাসাইল উপজেলা ১টি উদীয়মান পৌরসভা এবং ৬টি কৃষি ও মৎস্য সমৃদ্ধ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত:

  • পৌরসভা: বাসাইল পৌরসভা (৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত)।

  • ইউনিয়নসমূহ (৬টি): ১. বাসাইল (সদর), ২. কাঞ্চনপুর (ঐতিহাসিক কেন্দ্র), ৩. হাবলা (তাঁত শিল্পের জন্য বিখ্যাত), ৪. কাউলজানী, ৫. ফুলকী, ৬. কাশিল।

বাসাইল উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ সমূহ

উপজেলার মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৬ টি, মৌজার সংখ্যা ৭৩টি এবং গ্রাম সংখ্যা-১০৭ টি। তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বসতি স্থাপনের ফলে গ্রাম সংখ্যা আরো কিছু বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউনিয়নভিত্তিক মৌজা ও গ্রামের সংখ্যা নিম্নরূপঃ

ইউনিয়নের নামমৌজার নামগ্রাম
বাসাইল ১. রাশড়া, ২. মিরিকপুর, ৩. হান্দুলীপাড়া। ১. মিরিকপুর, ২. নাইকানীবাড়ী, ৩. হান্দুলীপাড়া, ৪. রাশড়া।
ফুলকী১. আইসড়া, ২. তিরঞ্চ, ৩. ঝনঝনিয়া, ৪. নেধার, ৫. ময়থা, ৬. মুড়াকৈ, ৭. জশিহাটী, ৮. একঢালা, ৯. দোহার, ১০. করটিয়াপাড়া, ১১. নিড়াইল, ১২. ফুলকী, ১৩. বালিয়া, ১৪. খাটরা।১. আইসড়া, ২. বালিয়া, ৩. বালিয়া দক্ষিণ, ৪. দোহার, ৫. একঢালা, ৬. ফুলকী পশ্চিম, ৭. ফুলকী মধ্যপাড়া, ৮. জশিহাটী, ৯. হাকিমপুর, ১০. ঝনঝনিয়া, ১১. করটিয়াপাড়া, ১২. খাটরা, ১৩. ময়থা, ১৪. ময়থা কুস্তিপাড়া, ১৫. ময়থা গাছপাড়া, ১৬. কমলাপাড়া, ১৭.ফুলকী দক্ষিণ পাড়া, ১৮. চরপাড়া, ১৯. সোনাপাড়া, ২০.সাধলীপাড়া, ২১. মুড়াকৈ, ২২. নেধার, ২৩. নিড়াইল, ২৪. তিরঞ্চ।
হাবলা১.পশ্চিম পৌলি, ২. সোনালিয়া, ৩. ছয়শত,৪. কোকাইল, ৫. গুল্লা, ৬. বয়রা, ৭. করাতিপাড়া, ৮. নাহালী, ৯. মটরা, ১০. বাঐখোলা, ১১. পাটখাগুড়ী, ১২. হাবলা টেংগুরিয়াপাড়া, ১৩, জীবনেশ্বর, ১৪. আরোহা, ১৫. ভৈরপাড়া।১. আরোহা, ২. বয়রা, ৩.বাঐখোলা, ৪. ভৈরপাড়া, ৫.ছয়শত, ৬. গুল্লা, ৭.হাবলা টেংগুরিয়াপাড়া, ৮. বিলপাড়া, ৯. হাবলা পূর্বপাড়া, ১০. হাবলা দক্ষিণ পাড়া, ১১. ঘোষাখালী, ১২. জীবনেশ্বর, ১৩. করাতিপাড়া, ১৫. মটরা, ১৬. নাহালী, ১৭, পশ্চিম পৌলি,১৮, সোনালিয়া, ১৯.পাটখাগুড়ী দক্ষিণপাড়া, ২০. পাটখাগুড়ী উত্তরপাড়া।
কাঞ্চনপুর১. আদাজান, ২. কাঞ্চনপুর, ৩, যৌতুকী, ৪. মটেশ্বর, ৫. সিঙ্গারডাক,৬. পূর্বপৌলী, ৭. সৈদামপুর।১. আদাজান, ২. যৌতুকী, ৩. কাঞ্চনপুর বিলপাড়া, ৪. কাজিরাপাড়া, ৫. সাকনাইর চর, ৬. কাঞ্চনপুর দক্ষিণপাড়া, ৭. কাঞ্চনপুর পশ্চিমপাড়া, ৮. তাড়াবাড়ী, ৯. কোদালিয়া পাড়া, ১০. ছনকাপাড়া, ১১. জাহাঙ্গীরনগর, ১২. কর্মকার পাড়া, ১৩.হালুয়াপাড়া, ১৪. ঢংপাড়া, ১৫. ঝিগাতলীপাড়া, ১৬. মটেশ্বর,১৭. পূর্বপৌলী, ১৮, সৈদামপুর, ১৯. সিঙ্গারডাক, ২০. কাঞ্চনপুর পূর্বপাড়া।
কাশিল১. দাপনাজোর, ২. জোড়বাড়ী, ৩. বাংড়া, ৪. কামুটিয়া, ৫. বাঘুয়া, ৬. দেউলী, ৭.উত্তরবাথুলী, ৮. বাঘিল, ৯. ফুলবাড়ী, ১০, সায়ের ,১১. স্থলবল্লা, ১২. পিচুরী, ১৩. বিয়ালা, ১৪. কাশিল ১৪.বন্দেভাটপাড়া, ১৫. নাকাছিম, ১৬. থুপিয়া, ১৭.নথখোলা১. বাঘিল, ২. বাঘুয়া, ৩. বাংড়া, ৪. কামুটিয়া, ৫. দেউলী, ৬. দাপনাজোর, ৭. জোড়বাড়ী, ৮. উত্তরবাথুলী, ৯. বাথুলীসাদী, ১০. ফুলবাড়ী, ১১.সায়ের, ১২. স্থলবল্লা, ১৩. পিচুরী, ১৪. বিয়ালা, ১৫. নাকাছিম, ১৬. বন্দেভাটপাড়া, ১৭.কাশিল, ১৮. থুপিয়া, ১৯. নথখোলা।
কাউলজানী১. বাদিয়াজান, ২. কাউলজানী, ৩. সেহরাইল, ৪. কলিয়া, ৫. সুন্না, ৬. গিলাবাড়ী, ৭. বার্থা, ৮. ডুমনীবাড়ী, ৯. কল্যানপুর।1.       বাদিয়াজান, ২. বার্থা, ৩. ডুমনীবাড়ী, ৪.গিলাবাড়ী, ৫.কলিয়া, ৬. কল্যানপুর,  ৭. কাউলজানী, ৮. বিলচিকনাই, ৯. মান্দারজানী, ১০. মৈলানপুর, ১১. সেহরাইল, ১২. সুন্না।

স্থানীয় সরকার কাঠামো

  • উপজেলা পরিষদ → কৃষি, মৎস্য ও গ্রামীণ ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়ন।

  • পৌরসভা → নাগরিক সেবা, আধুনিক ড্রেনেজ ও স্মার্ট স্ট্রিট লাইটিং।

  • বিআরডিবি (BRDB) → ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সমবায়ের মাধ্যমে তাঁতীদের ডিজিটাল ঋণ ও কারিগরি সহায়তা।


আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা

নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ যাতায়াতের জন্য বাসাইল পুলিশ প্রশাসন প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছে:

সংস্থাদায়িত্ব
বাসাইল মডেল থানাউপজেলার অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও নাগরিক নিরাপত্তা রক্ষা
কাউলজানী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রউত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ইউনিয়নগুলোর নিরাপত্তা তদারকি
ডিবি (DB) পুলিশবিশেষ অপরাধ ও মাদক দমনে গোয়েন্দা তৎপরতা

ভৌগোলিক অবস্থান ও পরিবেশ

  • অবস্থান: টাঙ্গাইল জেলার কেন্দ্রীয় অংশে অবস্থিত।

  • সীমানা: উত্তরে কালিহাতী ও ঘাটাইল, দক্ষিণে মির্জাপুর ও দেলদুয়ার, পূর্বে সখিপুর, পশ্চিমে টাঙ্গাইল সদর।

  • ভূ-প্রকৃতি: মূলত নিচু সমভূমি এবং অসংখ্য বিল-ঝিল সমৃদ্ধ। বর্ষাকালে এলাকাটি বিশাল জলরাশিতে পরিণত হয়।

  • বিশেষত্ব: বাসাইল বিল—যা জীববৈচিত্র্য ও দেশি মাছের এক বিশাল ভাণ্ডার।


ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতি

বিভাগতথ্য
প্রধান ধর্মইসলাম ও হিন্দু (দীর্ঘদিনের গভীর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি)
ভাষার ধরণবাংলা (আঞ্চলিক টাঙ্গাইলী টান এবং প্রমিত বাংলার সংমিশ্রণ)
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাসাইল বিলের বিশাল নৌকা বাইচ, জারি-সারি গান ও তাঁত শিল্প
ঐতিহ্যবাহী খাবারবিলের তাজা মাছ, টাঙ্গাইলের চমচম ও সরিষার মধু
উৎসবঈদ, পূজা, চৈত্র সংক্রান্তি ও নৌকা বাইচ মেলা

অর্থনীতি ও প্রধান খাত

বাসাইল বর্তমানে একটি ‘এগ্রো-ক্রাফট অ্যান্ড ফিশারিজ হাব’

খাতবিবরণ
তাঁত শিল্প (Saree)হাবলা ও কাশিল ইউনিয়নে উন্নত মানের টাঙ্গাইল শাড়ি ও লুঙ্গি তৈরি হয়।
মৎস্য সম্পদবাসাইল বিল ও ধলেশ্বরী নদী থেকে প্রচুর প্রাকৃতিক মাছ সংগ্রহ ও বাণিজ্যিক চাষ।
কৃষি উৎপাদননিচু জমি হওয়ায় সরিষা ও বোরো ধানের বাম্পার ফলন।
প্রবাসী আয়মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে অবস্থানরত প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

  • শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: বাসাইল সরকারি কলেজ ও বাসাইল গোবিন্দ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়।

  • স্বাস্থ্যসেবা: ৫০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

  • ডিজিটাল ল্যাব: ২০২৬ সালের পরিকল্পনায় প্রতিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অত্যাধুনিক কম্পিউটার ল্যাব।

  • সাক্ষরতা: প্রায় ৭২% (২০২৬ আনু.)।


যোগাযোগ ও অবকাঠামো

  • সড়কপথ: টাঙ্গাইল-বাসাইল আঞ্চলিক সড়ক এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সাথে সরাসরি সংযোগ।

  • ডিজিটাল: ২০২৬ সালের পরিকল্পনায় পুরো বাসাইল পৌরসভা এলাকায় ফ্রি ৫জি ওয়াই-ফাই জোন।

  • সেতু: কাশিল ও কাঞ্চনপুর এলাকায় আধুনিক সংযোগ সেতুসমূহ যা নদী ও বিলের ওপর দিয়ে যাতায়াত সহজ করেছে।


পর্যটন ও ঐতিহ্য

  • বাসাইল বিল ও চাপড়া বিল: নৌকা ভ্রমণ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য টাঙ্গাইলের অন্যতম সেরা স্থান।

  • কাঞ্চনপুর জমিদার বাড়ি: প্রাচীন স্থাপত্যের ঐতিহাসিক নিদর্শণ।

  • ঐতিহাসিক মাজারসমূহ: স্থানীয় আধ্যাত্মিক সাধকদের প্রাচীন মাজার ও দরগাহ্।

  • পাথরাইল তাঁত পল্লী (নিকটবর্তী): বাসাইলের সীমানা সংলগ্ন হওয়ায় পর্যটকরা সহজেই এখানে শাড়ি কিনতে আসেন।


আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ভূমিকা

  • মৎস্য রপ্তানি: বাসাইলের বিল থেকে সংগৃহীত শুঁটকি ও তাজা মাছ দেশের বিভিন্ন শহর ও বিদেশে রপ্তানি হয়।

  • পরিবেশ রক্ষা: বিলের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বাসাইল জাতীয় পর্যায়ে ‘ওয়েটল্যান্ড কনজারভেশন’ মডেলে কাজ করছে।


সারসংক্ষেপ

বাসাইল উপজেলা ঐতিহ্যের আভিজাত্য আর প্রকৃতির জলজ সৌন্দর্যের এক অনন্য মিলনস্থল। বাসাইল বিলের শান্ত জলরাশি আর তাঁতীদের খটখট শব্দ এই অঞ্চলকে এক বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। কাঞ্চনপুরের ইতিহাস আর আধুনিক ইকো-ট্যুরিজম বাসাইলকে ২০২৬ সালের এই সময়ে একটি শক্তিশালী ‘স্মার্ট ওয়াটার টাউন’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিলের মমতা আর প্রযুক্তির সফলতায় বাসাইল এখন স্মার্ট বাংলাদেশের এক সার্থক প্রতিনিধি।


নিউজ ও আর্টিকেল

  • স্মার্ট ফিশারিজ ২০২৬: বাসাইল বিলের মৎস্যজীবীদের জন্য এআই (AI) চালিত মাছের রোগ নির্ণয় ও বাজারদর অ্যাপ উদ্বোধন।

  • ইকো-ট্যুরিজম করিডোর: বাসাইল বিল এলাকায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে আধুনিক হাউজবোট ও রিসোর্ট সার্ভিস চালু।

  • ডিজিটাল বাসাইল পৌরসভা: শতভাগ ডিজিটাল ট্যাক্স ও নাগরিক সেবা সিস্টেমের সফল বাস্তবায়ন।


আমাদের লক্ষ্য

AFP Global Knowledge Hub–এ আমাদের লক্ষ্য হলো বাসাইল উপজেলার নির্ভুল ইতিহাস, বিল সংস্কৃতির আভিজাত্য এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিশ্বের সামনে তুলে ধরা।


যোগাযোগ করুন

এই প্রোফাইলে কোনো আপডেট/সংশোধন/নতুন তথ্য যোগ করতে চাইলে আমাদের সম্পাদকীয় টিমকে বার্তা দিন। আপনার অংশগ্রহণই আমাদের এই তথ্যভান্ডারকে সমৃদ্ধ করে তুলবে।

📧 shababalsharif@gmail.com
🌐 https://shababalsharif.com


ধন্যবাদ!
আপনি এখন বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্ত জানার যাত্রায় আছেন – আমাদের সাথেই থাকুন!