ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (DNCC)

বাংলাদেশের কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক ও আধুনিক নগর রাজধানী

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (Dhaka North City Corporation – DNCC) বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার উত্তরাঞ্চলীয় প্রধান নগর স্থানীয় সরকার স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও মেট্রোপলিটন প্রশাসনিক এলাকা। রাজধানীর আধুনিক বাণিজ্যিক হাব, কূটনৈতিক জোন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, মেগা ফ্লাইওভার, এক্সপ্রেসওয়ে এবং মেট্রোরেল নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে ডিএনসিসি সমগ্র দেশের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ১৯৬.২২ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই সিটি কর্পোরেশনটির দক্ষিণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (DSCC), উত্তরে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, পূর্বে বালু নদী ও তুরাগ অববাহিকা এবং পশ্চিমে তুরাগ নদী অবস্থিত।

২০২৬ সালে এসে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন একাধারে স্মার্ট আর্বান ম্যানেজমেন্ট, স্বয়ংক্রিয় ই-ট্রেড ও নাগরিক সেবা পোর্টাল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং মেট্রোরেল কানেক্টিভিটির সুবাদে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষ দ্রুত বর্ধনশীল আধুনিক ট্রানজিট মেগাসিটিতে রূপ নিয়েছে। গুলশান, বনানী, উত্তরা, মিরপুর, মহাখালী ও তেজগাঁও এলাকা নিয়ে গঠিত এই সিটি কর্পোরেশন কর্পোরেট ও ডিপ্লোম্যাটিক হাব হিসেবে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও ক্রমবিকাশ

ঢাকা শহরের পরিধি ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে নগর সেবা আরও দ্রুত ও গতিশীল করতে ২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর সাবেক ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে (DCC) বিভক্ত করে ‘ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন’ (DNCC) গঠন করা হয়।

পরবর্তীকালে ২০১৭ সালে উত্তরখাঁন, দক্ষিণখাঁন, উত্তরখান, বেরাইদ, ডুমনি, সাতারকুল, ভাটারা ও হরিরামপুরের মতো নতুন ১৮টি প্রশাসনিক ওয়ার্ড যুক্ত করে এলাকা বহুগুণ প্রসারিত করা হয়। ২০১৫ সালে প্রথম প্রত্যক্ষ ভোটে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক বডি যাত্রা শুরু করে এবং গুলশান-২ এ অবস্থিত নগর ভবনে এর কেন্দ্রীয় দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্রধান ঐতিহাসিক মাইলফলক

সময়কাল / মাইলফলকঐতিহাসিক ঘটনাকৌশলগত গুরুত্ব
২০১১ (২৯ নভেম্বর)সাবেক ঢাকা সিটি কর্পোরেশন বিভক্তিকরণস্বতন্ত্র ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (DNCC) প্রতিষ্ঠা।
২০১৭১৮টি নতুন প্রসারিত ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্তিডিএনসিসির ভৌগোলিক আয়তন বৃদ্ধি পেয়ে ১৯৬.২২ বর্গকিলোমিটারে উন্নীত।
২০২৩-২০২৬মেট্রোরেল (MRT Line-6) ও ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সম্পূর্ণ চালুরাজধানী উত্তর-দক্ষিণ ও বিমানবন্দরের মধ্যে ড্রামাটিক ট্রানজিট বিপ্লব।

মৌলিক তথ্য ও নগরীর প্রধান রেজিস্ট্রি

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এককভাবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন এলাকা, অধিকাংশ বিদেশি দূতাবাস এবং প্রধান দেশের বৃহৎ করপোরেট হেডকোয়ার্টার্সের ঠিকানা।

মূল তথ্য রেজিস্ট্রি

বিষয়শ্রেণীনথিভুক্ত তথ্য
অফিসিয়াল নামঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (Dhaka North City Corporation – DNCC)
কৌশলগত শ্রেণীবিন্যাসক-শ্রেণীর মেগাসিটি কর্পোরেশন, ডিপ্লোম্যাটিক ও কমার্শিয়াল হাব
কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরনগর ভবন, প্লট-২৩, রোড-৪৬, গুলশান-২, ঢাকা-১২১২
প্রশাসনিক অঞ্চল ও ওয়ার্ড১০টি প্রশাসনিক অঞ্চল (Zone) ও ৫৪টি ওয়ার্ড
মোট আয়তন১৯৬.২২ বর্গকিলোমিটার (৭৫.৭৬ বর্গমাইল)
আনুমানিক জনসংখ্যা (২০২৬)প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ (স্থায়ী ও ফ্লোটিং নাগরিকসহ)
অফিসিয়াল মুদ্রাবাংলাদেশী টাকা (BDT / ৳)
সময় অঞ্চলবাংলাদেশ মান সময় (BST / UTC+6)
সরকারী ভাষাবাংলা (জাতীয় ভাষা), প্রমিত ইংরেজি (বাণিজ্যিক যোগাযোগ)
প্রধান অর্থনৈতিক ইঞ্জিনকর্পোরেট ও ব্যাংকিং সেবা, আইটি ও ই-কমার্স, কূটনৈতিক সার্ভিস, এভিয়েশন

প্রশাসনিক পরিচালনা ও নগর স্থানীয় সরকার

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন প্রধান কার্যালয় (নগর ভবন) গুলশান-২ এ অবস্থিত। নির্বাচিত মেয়র, সাধারণ কাউন্সিলরগণ এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরদের সমন্বয়ে ডিএনসিসির বোর্ড পরিচালিত হয়, যেখানে প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO)।

ডিএনসিসি নগর নেতৃত্ব ও পরিচালনা

পদবী / সংস্থাপ্রশাসনিক ভূমিকাপ্রধান প্রশাসনিক লক্ষ্য
নগর পরিষদ (মেয়র ও কাউন্সিলরবৃন্দ)নগর স্থানীয় সরকার স্বায়ত্তশাসিত বডি৫৪টি ওয়ার্ডের আধুনিক পরিকাঠামো উন্নয়ন, স্মার্ট সার্ভিস প্রদান ও নাগরিক সুবিধা।
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO)প্রশাসনিক প্রধান (সরকার মনোনীত)ডিএনসিসির ১০টি অঞ্চলের বাজেট, অবকাঠামো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব তদারকি।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (DMP)আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক বিভাগউত্তরা, মিরপুর, গুলশান ও তেজগাঁও বিভাগে কড়া নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ।

প্রশাসনিক অঞ্চল ও ওয়ার্ড কাঠামো

ডিএনসিসিকে প্রশাসনিক গতিশীলতার জন্য ১০টি প্রধান অঞ্চলে (Zones) বিভক্ত করা হয়েছে।

প্রথম-স্তরের প্রশাসনিক বিভাগসমূহ

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন মোট ১০টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত। প্রতিটি অঞ্চলের জন্য পৃথক আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে যা নাগরিকদের সরাসরি সেবা প্রদান করে।

জোন নম্বরঅঞ্চলের নামপ্রধান অন্তর্ভুক্ত এলাকাসমূহআওতাভুক্ত ওয়ার্ডসমূহ
জোন-১উত্তরা (সদর)উত্তরা মডেল টাউন (১-৯ সেক্টর), আব্দুল্লাহপুর।১, ১৭
জোন-২মিরপুর-পল্লবীপল্লবী, রূপনগর, কালশী, মিরপুর ১২ ও ১১।২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ১৫
জোন-৩গুলশান-বনানীগুলশান ১ ও ২, বনানী, বারীধারা, মহাখালী, নিকেতন।১৮, ১৯, ২০, ২১, ২৪, ২৫, ৩৫
জোন-৪মিরপুর-সদরমিরপুর ১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, পীরেরবাগ।১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৬
জোন-৫কাওরান বাজারকাওরান বাজার, ফার্মগেট, মোহাম্মদপুর, আদাবর, শেরেবাংলা নগর।২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪
জোন-৬হরিরামপুরউত্তরা ১০-১৪ সেক্টর, তুরাগ এলাকা, হরিরামপুর।৫১, ৫২, ৫৩, ৫৪
জোন-৭দক্ষিণখানদক্ষিণখান, ফায়দাবাদ, কাওলা এলাকা।৪৮, ৪৯, ৫০
জোন-৮উত্তরখানউত্তরখান এলাকা।৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৭
জোন-৯ভাটারাভাটারা, সাতারকুল, নতুন বাজার এলাকা।৩৯, ৪০, ৪১, ৪২, ৪৩
জোন-১০বাড্ডাবাড্ডা, রামপুরা (অংশ), আফতাবনগর।২৬, ৩৭, ৩৮

ডিএনসিসি এলাকার অন্তর্ভুক্ত প্রধান থানাসমূহ

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৫৪টি ওয়ার্ড ও ১০টি জোনের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা, সীমান্ত নিরাপত্তা ও জনসেবায় ২৫টি পুলিশ থানা সরাসরি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

জননিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও স্মার্ট ট্রাফিক মনিটরিং

নগরীর সিকিউরিটি ও ডিপ্লোম্যাটিক জোনের নিরাপত্তার জন্য ডিএমপি পুলিশ, এপিবিএন, ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি ডিভিশন ও সিসিটিভি আই মনিটরিং সার্বক্ষণিক কার্যকর থাকে।

নিরাপত্তা ও জরুরি সেবা সংস্থা

সংস্থাপ্রশাসনিক এখতিয়ারকৌশলগত দায়িত্ব
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (DMP)সমগ্র উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকাক্রাইম কন্ট্রোল, বিট পুলিশিং ও মেগাসিটি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সউত্তরা, মিরপুর, তেজগাঁও ও কুর্মিটোলা জোনহাইরাইজ বিল্ডিং, গার্মেন্টস ও এয়ারপোর্টে দ্রুত উদ্ধার অভিযান।
ডিএনসিসি ইমার্জেন্সি কন্ট্রোল রুমনগর ভবন, গুলশান-২দ্রুত বর্জ্য অপসারণ, মশানিধন ও জলাবদ্ধতা সাড়া প্রদান কেন্দ্র।

ভৌগোলিক পরিবেশ, নদী ও নগর পার্কল্যান্ড

ডিএনসিসির ভৌগোলিক সীমানায় রয়েছে বেগুনবাড়ী-হাতিরঝিল লেক, বালু নদী, তুরাগ নদী এবং চমৎকার সব সবুজ পার্ক প্রাঙ্গণ।

  • ভূ-প্রকৃতি: পলি সমতল ভূমি, লেকওয়ে ও আধুনিক মেগাসিটি স্কাইলাইন।

  • প্রধান নদ-নদী & জলাশয়: তুরাগ নদী, বালু নদী, হাতিরঝিল লেক ও গুলশান-বনানী লেক।

  • নগর পার্কল্যান্ড: চন্দ্রিমা উদ্যান, উত্তরা পার্কসমূহ, বনানী পার্ক ও ভাসানী নভোথিয়েটার প্রাঙ্গণ।

  • অবকাঠামো ও এনার্জি: ডেসকো (DESCO), ঢাকা ওয়াসা (DWASA) ও তিতাস গ্যাস সঞ্চালন লাইন।

সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও নগর জীবনযাত্রা

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকার জীবনযাত্রা অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়, আধুনিক এবং আন্তর্জাতিক মানের কর্পোরেট কসমোপলিটন সংস্কৃতির প্রতিফলন।

  • সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য: অমর একুশে বইমেলা আন্তর্জাতিক অংশ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রদর্শনী কেন্দ্র, ছায়ানট প্রাঙ্গণ ও বই মেলা উৎসব।

  • ঐতিহাসিক ও নাগরিক নিদর্শন: জাতীয় সংসদ ভবন, হাতিরঝিল সেতু, নভোথিয়েটার, আর্মড ফোর্সেস মিউজিয়াম ও গুলশান লেক পার্ক।

  • খাদ্য সংস্কৃতি: কারওয়ান বাজারের ঐতিহ্যবাহী রেস্তোরাঁ, গুলশান-বনানীর আন্তর্জাতিক কুইজিন, স্ট্রিট ফুড ও আধুনিক ক্যাফে কালচার।

অর্থনীতি ও কর্পোরেট খাতসমূহ

ডিএনসিসি এলাকা মূলত বাংলাদেশের করপোরেট হেডকোয়ার্টার্স, প্রাইভেট ব্যাংকিং সেক্টর, আইটি হাব, গার্মেন্টস এক্সপোর্ট হাউস ও শপিং মলের প্রধান নিয়ন্ত্রক।

খাতনগরভিত্তিক অবদানঅর্থনৈতিক প্রভাব
করপোরেট & ব্যাংকিং হাবগুলশান, বনানী, কারওয়ান বাজার ও মতিঝিল সম্প্রসারণদেশের ৯০০টি মাল্টিন্যাশনাল ও লোকাল হেডকোয়ার্টার্স পরিচালনা।
ডিজিটাল আইটি & আউটসোর্সিংসফটওয়্যার টেক পার্ক, বনানী আইটি জোন ও গুলশান ই-কমার্সবার্ষিক বিলিয়ন ডলারের গ্লোবাল টেক্সটাইল ও আইটি এক্সপোর্ট।
রিটেইল & কমার্শিয়াল শপিংযমুনা ফিউচার পার্ক, বসুন্ধরা সিটি, পুলিশ প্লাজা ও মলসমূহদক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় মেগা শপিং ও কনজিউমার ইকোসিস্টেম।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান

ডিএনসিসি এলাকা সমগ্র দেশের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়, বিশেষায়িত সুপার-স্পেশালিটি হাসপাতাল ও কূটনৈতিক মিশনের ঠিকানা।

  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (সংলগ্ন), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (সংলগ্ন), নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, এআইইউবি, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (MIST) ও অ্যাডামজি ক্যান্টনমেন্ট কলেজ।

  • স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র: স্কয়ার হাসপাতাল, ইউনাইটেড হাসপাতাল, এভারকেয়ার হাসপাতাল, ল্যাবএইড ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট।

পরিবহন, মেট্রোরেল ও মেগা ট্রানজিট

ডিএনসিসি এলাকার ওপর দিয়ে গিয়েছে ঢাকা মেট্রোরেল (MRT Line-6), ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং বিমানবন্দর রোড।

সম্পদধরনকৌশলগত অবস্থা
মেট্রোরেল (MRT Line-6)র্যাপিড মাস ট্রানজিট (MRT)উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল পর্যন্ত সরাসরি দ্রুততম নগর যাতায়াত।
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েএক্সপ্রেস ফ্লাইওভারবিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট ও কুতুবখালী দ্রুততম ট্রাফিকের এক্সপ্রেসওয়ে।

পর্যটন ও আধুনিক দেখার মতো স্থানসমূহ

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে রয়েছে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু অসংখ্য অনিন্দ্যসুন্দর দর্শনীয় স্থান।

গন্তব্যক্যাটাগরিআকর্ষণ ও বৈশিষ্ট্য
হাতিরঝিল সমন্বিত ওয়াটারওয়েনগর নেচার ও ব্রিজ স্পটলেকের জলে ওয়াটার ট্যাক্সি ভ্রমণ, লাইটিং ব্রিজ ও দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে।
যমুনা ফিউচার পার্ক & বসুন্ধরা সিটিমেগা মল ও বিনোদনশপিং, সিনেপ্লেক্স, বোলিং অলিম্পিয়াড ও ফুড কোর্ট।

সারসংক্ষেপ

২০২৬ সালে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (DNCC) তার মেগা এক্সপ্রেসওয়ে, স্মার্ট মেট্রোরেল কানেক্টিভিটি, সবুজ লেক পার্কসমূহ, ডিজিটাইজড অটোমেটেড অনলাইন নগর সেবা এবং আন্তর্জাতিক মানের করপোরেট অবকাঠামোর সমন্বয়ে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম মডেল ডিজিটাল মেগাসিটিতে পরিণত হয়েছে। গুলশানের সুদৃশ্য স্কাইলাইন, হাতিরঝিলের শান্ত হাওয়া এবং স্মার্ট নাগরিক সেবা ডিএনসিসিকে বাংলাদেশের আধুনিক নগর মানচিত্রে এক অনন্য ও সম্মানিত প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সিটি কর্পোরেশন বিশেষ সংবাদ ও হাইলাইটস

  • ডিএনসিসি এলাকায় স্মার্ট অনলাইন ই-ট্রেড ও হোল্ডিং ট্যাক্স পোর্টাল উন্মোচন: কয়েক মিনিটে ঘরে বসেই ট্রেড সনদ ও কর পরিশোধের সুবিধা।

  • হাতিরঝিল ও গুলশান লেকের পানি বিশোধন ও সৌন্দর্য বর্ধন প্রজেক্ট সম্পূর্ণ: সবুজ ওয়াকওয়ে ও নিরাপদ সুপেয় বর্জ্যমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতকরণ।

  • ডিএনসিসির সকল ওয়ার্ডে অ্যাপ ভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালুকরণ: পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত স্মার্ট মেগাসিটি বাস্তবায়ন।

আমাদের লক্ষ্য ও বার্তা

এএফপি গ্লোবাল নলেজ হাব-এর মাধ্যমে আমরা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (DNCC) একটি বস্তুনিষ্ঠ, তথ্যবহুল ও আধুনিক রূপরেখা উপস্থাপন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আন্তর্জাতিক গবেষক, বিনিয়োগকারী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিকদের সুবিধার জন্য আমরা তথ্যের সঠিকতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করি।

যোগাযোগ করুন

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক তথ্য, ই-ট্রেড লাইসেন্স, নগর সেবা, বাণিজ্যিক বিনিয়োগ বা পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত অনুসন্ধানের জন্য আমাদের সম্পাদনা দলকে বার্তা পাঠান: