গহনার গ্রাম, কারুশিল্পের ঐতিহ্য, কৃষি শস্যভাণ্ডার ও ঢাকা-কেরানীগঞ্জের সংযোগ কেন্দ্র
ভাকুর্তা ইউনিয়ন (১২নং ভাকুর্তা ইউনিয়ন পরিষদ) ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার অন্তর্ভুক্ত একটি অত্যন্ত প্রাচীন, সামাজিকভাবে সমৃদ্ধ, ঐতিহ্যবাহী তামা-পিতল ও গহনা কারুশিল্পের জন্য বিশ্বখ্যাত এবং অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি প্রশাসনিক ইউনিয়ন। তুরাগ ও ধলেশ্বরী নদীর অববাহিকায় এবং রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর ও কেরানীগঞ্জের কোলঘেঁষে এই ইউনিয়নটি অবস্থিত। প্রায় ১৬.৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই ইউনিয়নের পূর্বে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মোহাম্মদপুর ও বসিলা (তুরাগ নদী পার), পশ্চিমে সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন, উত্তরে বনগাঁও ও আমিন বাজার ইউনিয়ন এবং দক্ষিণে কেরানীগঞ্জ উপজেলা অবস্থিত।
২০২৬ সালে এসে ভাকুর্তা ইউনিয়ন আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাত ‘গহনার গ্রাম’ (Jewelry Village), ঐতিহ্যবাহী নকশী তামা-পিতল শিল্প, তাজা সবজি উৎপাদন এবং বসিলা ব্রিজ হয়ে ঢাকার সাথে সরাসরি নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগের সুবাদে সাভার উপজেলার অন্যতম সেরা ইকো-স্মার্ট ইউনিয়নে পরিণত হয়েছে। ভাকুর্তা বাজার, চণ্ডীতলা, মোগড়াকান্দা ও শ্যাওড়াপাড়া এলাকা নিয়ে গঠিত এই ইউনিয়নটি সাভার, কেরানীগঞ্জ এবং ঢাকা মেগাসিটির মধ্যে সংযোগকারী অন্যতম প্রধান কৌশলগত হাব হিসেবে কাজ করছে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও ক্রমবিকাশ
ভাকুর্তা ইউনিয়নের ইতিহাস বহু শত বছরের সুপ্রাচীন হস্তশিল্প, মেটাল ক্রাফট এবং তুরাগ-ধলেশ্বরী নদীর পলল জনপদের সাথে গভীরভাবে যুক্ত। প্রাক-মোঘল ও ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই ভাকুর্তার কারিগররা তামা, পিতল, কাঁসা এবং রূপার অলংকার ও ব্যবহার্য তৈজসপত্র তৈরিতে অতুলনীয় দক্ষতার পরিচয় দিয়ে আসছেন।
১৯৬০-এর দশকে সাভার উপজেলার অধীনে ১২নং ভাকুর্তা ইউনিয়ন পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। গত তিন দশকে ভাকুর্তার গহনা শিল্প বাণিজ্যিকভাবে প্রসার লাভ করে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানি হতে শুরু করলে বিরল হস্তশিল্পের কেন্দ্র হিসেবে ভাকুর্তা নাম ছড়িয়ে পড়ে। বসিলা ব্রিজ এবং মোহাম্মদপুর-ভাকুর্তা চার লেন সড়ক সংযোগের পর গ্রামীণ এই শিল্প জনপদ এখন ঢাকার অন্যতম প্রধান সম্ভাবনাময় স্যাটেলাইট সিটি এবং কারুশিল্প পর্যটন হাবে রূপান্তরিত হয়েছে।
প্রধান ঐতিহাসিক মাইলফলক
| সময়কাল / মাইলফলক | ঐতিহাসিক ঘটনা | কৌশলগত গুরুত্ব |
| ১৮শ-১৯শ শতক | ভাকুর্তা তামা-পিতল ও গহনা কারুশিল্পের সুপ্রাচীন পত্তন | ঢাকা ও আশপাশের অঞ্চলে অলংকার ও তৈজসপত্রের বিশ্বস্ত কেন্দ্র। |
| ১৯৬০-এর দশক | ১২নং ভাকুর্তা ইউনিয়ন পরিষদ গঠন | সাভার উপজেলার অধীন স্বতন্ত্র স্থানীয় সরকার প্রশাসনিক অবকাঠামো লাভ। |
| ২০১০-এর দশক | বসিলা ব্রিজ ও মোহাম্মদপুর-ভাকুর্তা সংযোগ সড়ক নির্মাণ | ঢাকার মূল ভূখণ্ডের সাথে ভাকুড়্তার সরাসরি সড়ক যোগাযোগের বৈপ্লবিক রূপান্তর। |
| ২০২৬ (বর্তমান রূপরেখা) | স্মার্ট জুয়েলারি গ্রাম ও এগ্রো-প্রসেসিং হাব | অটোমেটেড জুয়েলারি প্রসেসিং, ডিজিটাল সার্ভিস ও আবাসন সুবিধা। |
মৌলিক তথ্য ও ইউনিয়নের প্রধান রেজিস্ট্রি
ভাকুর্তা ইউনিয়ন এককভাবে বাংলাদেশের একক বৃহত্তম হস্তনির্মিত গহনা তৈরির হাব বা ‘গহনার গ্রাম’ হিসেবে পরিচিত।
মূল তথ্য রেজিস্ট্রি
| বিষয়শ্রেণী | রেকর্ড তথ্য |
| অফিসিয়াল নাম | ১২নং ভাকুর্তা ইউনিয়ন পরিষদ (Bhakurta Union Parishad) |
| কৌশলগত শ্রেণীবিন্যাস | আন্তর্জাতিক গহনার গ্রাম (Jewelry Village), মেটাল ক্রাফটস, এগ্রো-ফার্মিং ও আরবান জোন |
| প্রশাসনিক পরিচিতি | ১২নং ভাকুর্তা ইউনিয়ন (সাভার উপজেলা) |
| গ্রাম ও মৌজা সংখ্যা | আনুমানিক ২২টি গ্রাম এবং ১২টি মৌজা |
| মোট আয়তন | ১৬.৪০ বর্গকিলোমিটার (৬.৩৩ বর্গমাইল) |
| আনুমানিক জনসংখ্যা (২০২৬) | প্রায় ১.৬৫ লক্ষ (স্থায়ী অধিবাসী ও গহনা শিল্পের হাজার হাজার কারিগরসহ) |
| অফিসিয়াল মুদ্রা | বাংলাদেশী টাকা (BDT / ৳) |
| সময় অঞ্চল | বাংলাদেশ মান সময় (BST / UTC+6) |
| সরকারী ভাষা | বাংলা (জাতীয় ভাষা), প্রমিত ও স্থানীয় ঢাকাইয়া/সাভারি উপভাষা |
| প্রধান অর্থনৈতিক ইঞ্জিন | মেটাল ও ফ্যাশন গহনা শিল্প, তামা-পিতল সামগ্রী, বাণিজ্যিক সবজি চাষ, ডেইরি ও রিয়েল এস্টেট |
প্রশাসনিক পরিচালনা ও স্থানীয় সরকার
ভাকুর্তা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত নারী সদস্য ও সাধারণ ওয়ার্ড সদস্যদের সমন্বয়ে ভাকুড়্তা বাজারে অবস্থিত ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স থেকে পরিচালিত হয়।
ইউনিয়ন প্রশাসনিক নেতৃত্ব
| পদবী / সংস্থা | প্রশাসনিক ভূমিকা | প্রধান প্রশাসনিক লক্ষ্য |
| ইউনিয়ন পরিষদ (চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যগণ) | স্থানীয় সরকার পরিষদ | ৯টি ওয়ার্ডের অবকাঠামো উন্নয়ন, গহনা শিল্পের প্রচার ও নাগরিক সেবা। |
| ইউনিয়ন পরিষদ সচিব & হিসাব সহকারী | প্রশাসনিক নির্বাহী | জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ডিজিটাল সেবা প্রদান ও ই-ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু। |
| ঢাকা জেলা পুলিশ (সাভার মডেল থানা/বসিলা ফাঁড়ি) | আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সংস্থা | ইউনিয়ন এলাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, কারিগরদের নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক শান্তি রক্ষা। |
প্রশাসনিক কাঠামো
ভাকুর্তা ইউনিয়নকে প্রশাসনিক সেবার সুবিধার্থে ৯টি গতিশীল ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়েছে।
প্রথম-স্তরের প্রশাসনিক বিভাগসমূহ
ভাকুর্তা ইউনিয়নের অন্তর্গত প্রধান এলাকা ও ৯টি ওয়ার্ড:
ওয়ার্ড নং ১: ভাকুড়্তা মূল বাজার, উত্তরপাড়া ও কারিগরপাড়া।
ওয়ার্ড নং ২: মোগড়াকান্দা, দক্ষিণপাড়া ও গহনা শিল্প অঞ্চল।
ওয়ার্ড নং ৩: চণ্ডীতলা, স্কুলপাড়া ও সংলগ্ন এলাকা।
ওয়ার্ড নং ৪: শ্যাওড়াপাড়া, কুন্ডুলিয়া ও মধ্যপাড়া।
ওয়ার্ড নং ৫: ইছাপুর, দেওগাঁও সীমান্ত ও কৃষি গ্রাম।
ওয়ার্ড নং ৬: বাউরভিটা, কান্দাপাড়া ও নদী তীরবর্তী এলাকা।
ওয়ার্ড নং ৭: ঝাউচর সীমান্ত, নয়া ভাকুড়্তা ও রিয়েল এস্টেট এলাকা।
ওয়ার্ড নং ৮: ধলেশ্বরীর কোলঘেঁষা চরাঞ্চল ও উলুচর।
ওয়ার্ড নং ৯: বসিলা সংযোগ সীমান্ত, তুরাগ তীরের গ্রামসমূহ।
জননিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও বিশেষ বাণিজ্যিক নিরাপত্তা
আন্তর্জাতিক ও জাতীয়ভাবে খ্যাত গহনা শিল্পের মেগা লেনদেন হওয়ায় ভাকুর্তা ইউনিয়নে সাভার মডেল থানা পুলিশ সার্বক্ষণিক বিশেষ টহল নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
নিরাপত্তা ও জরুরি সেবা সংস্থা
| সংস্থা | প্রশাসনিক এখতিয়ার | কৌশলগত দায়িত্ব |
| সাভার মডেল থানা (ঢাকা জেলা পুলিশ) | সমগ্র ভাকুড়্তা ইউনিয়ন এলাকা | নাগরিক নিরাপত্তা, কারিগরি ব্যবসায়ী নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন। |
| মোহাম্মদপুর & বসিলা ট্রাফিক জোন | বসিলা-ভাকুড়্তা মহাসড়ক | মোহাম্মদপুর-ভাকুর্তা সংযোগ সড়কে যানজট নিরসন ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ। |
| সাভার & কেরানীগঞ্জ ফায়ার স্টেশন | ইউনিয়ন ও জুয়েলারি শিল্প এলাকা | মেটাল ওয়ার্কশপ, কমার্শিয়াল মার্কেট ও বসতবাড়িতে জরুরি অগ্নিনির্বাপণ। |
ভৌগোলিক পরিবেশ, নদী ও ইকোলজি
ভাকুর্তা ইউনিয়নের ভূ-প্রকৃতি মূলত তুরাগ ও ধলেশ্বরী নদী বিধৌত প্লাবন সমভূমি, গহনা ক্লাস্টার এবং উর্বর কৃষি জমির অপূর্ব সংমিশ্রণে গঠিত।
ভূ-প্রকৃতি: পলি প্লাবন সমভূমি, উর্বর কৃষি জমি ও গ্রামীণ আবাসন এলাকা।
প্রধান নদ-নদী: তুরাগ নদী ও ধলেশ্বরী নদী।
প্রাকৃতিক পরিবেশ: চণ্ডীতলা বিলের নৈসর্গিক রূপ, অর্গানিক ধান ও সবজি ক্ষেত।
অবকাঠামো ও এনার্জি: ডেসকো সঞ্চালন লাইন, ন্যাশনাল পাওয়ার গ্রিড ও তিতাস গ্যাস সংযোগ।
সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও হস্তশিল্প জীবনযাত্রা
ভাকুর্তা ইউনিয়নের সংস্কৃতি শত শত বছরের হস্তনির্মিত গহনা তৈরির ঠুকঠাক শব্দ, কারিগর সমাজের নান্দনিক জীবনধারা এবং নদীকেন্দ্রিক লোকজ ঐতিহ্যের চমৎকার মেলবন্ধনে গড়ে উঠেছে।
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য: গহনা কারুশিল্প প্রদর্শনী, বৈশাখী মেলা, নবান্ন উৎসব ও চৈত্র সংক্রান্তি।
ঐতিহাসিক ও শিল্প নিদর্শন: ঐতিহ্যবাহী ভাকুর্তা জুয়েলারি ক্লাস্টার, সুপ্রাচীন চণ্ডীতলা মন্দির।
ভাষা ও কথ্যরূপ: প্রমিত বাংলা ভাষার পাশাপাশি পুরান ঢাকাইয়া ও সাভারি আঞ্চলিক উপভাষার মিষ্টি মিশ্রণ।
খাদ্য সংস্কৃতি: ভাকুর্তা বাজারের তাজা তুরাগ-ধলেশ্বরীর মাছের ঝোল, তাজা গাভীর দুধের মিষ্টি ও স্ট্রিট ফুড।
অর্থনীতি ও কারুশিল্প-বাণিজ্য খাতসমূহ
ভাকুর্তা ইউনিয়ন মূলত তামা, পিতল ও মেটাল গহনা তৈরি, তৈরি গহনা বাজারজাতকরণ, বাণিজ্যিকভাবে সবজি উৎপাদন এবং রিয়েল এস্টেট খাতের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।
| খাত | ইউনিয়নভিত্তিক অবদান | অর্থনৈতিক প্রভাব |
| হস্তনির্মিত গহনা & মেটাল শিল্প | শত শত গহনা তৈরির কারখানা ও হাজার হাজার কারিগর | ঢাকার চাঁদনী চক, নিউমার্কেটসহ সারা দেশে ইমিটেশন ও ফ্যাশন গহনা সরবরাহের মূল হাব। |
| বাণিজ্যিক কৃষি & শাকসবজি | উর্বর পলল জমিতে টমেটো, ফুলকপি, বেগুন ও ধান চাষ | স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে মোহাম্মদপুর ও সাভারের পাইকারি বাজারে তাজা সবজি সরবরাহ। |
| রিয়েল এস্টেট ও আবাসন | বসিলা ব্রিজ সংলগ্ন মডেল টাউন ও আবাসিক উন্নয়ন | ঢাকা মেগাসিটির কাছে হওয়ায় দ্রুত বর্ধনশীল হাউজিং প্রকল্পের বিকাশ। |
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নাগরিক অবকাঠামো
ভাকুর্তা ইউনিয়নে অধিবাসীদের জন্য একাধিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র রয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: ভাকুড়্তা ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, চণ্ডীতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাকুর্তা ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও বেশ কিছু ক্যাডেট একাডেমি।
স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র: ভাকুর্তা ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিকসমূহ এবং নিকটবর্তী বসিলা/মোহাম্মদপুর কেয়ার হাসপাতাল।
পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা
মোহাম্মদপুর-বসিলা ব্রিজ সড়ক এবং সাভার-হেমায়েতপুর-ভাকুর্তা লিংক রোড ইউনিয়নের প্রধান পরিবহন লাইফলাইন।
| সম্পদ | ধরন | কৌশলগত অবস্থা |
| মোহাম্মদপুর-বসিলা-ভাকুর্তা মহাসড়ক | প্রধান মেগা সড়ক সংযোগ | ভাকুড়্তাকে সরাসরি ঢাকার মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি ও মিরপুরের সাথে যুক্ত করার পথ। |
| হেমায়েতপুর-ভাকুর্তা সড়ক | আঞ্চলিক সড়ক পথ | তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে পৌঁছানোর বিকল্প পথ। |
পর্যটন ও দেখার মতো স্থানসমূহ
ভাকুর্তা ইউনিয়নে রয়েছে হস্তনির্মিত গহনা শিল্পের বিশাল কর্মযজ্ঞ ও প্রাকৃতিক বিলের সুন্দর পরিবেশ।
| গন্তব্য | ক্যাটাগরি | আকর্ষণ ও বৈশিষ্ট্য |
| ভাকুর্তা ‘গহনার গ্রাম’ (Jewelry Village) | কারুশিল্প পর্যটন স্পট | কারিগরদের পিতল, রূপা ও তামা দিয়ে নিখুঁত গহনা তৈরির লাইভ শিল্পধারা দর্শন। |
| চণ্ডীতলা বিল & তুরাগ নদীপ্রান্ত | প্রাকৃতিক সৌন্দর্য স্পট | বিকেলে সুদৃশ্য নদীর হাওয়া, নৌ ভ্রমণ এবং মেঠো পথের নৈসর্গিক রূপ। |
সারসংক্ষেপ
২০২৬ সালে ভাকুর্তা ইউনিয়ন বিশ্বখ্যাত হস্তনির্মিত গহনা শিল্পের ঐতিহ্য, মোহাম্মদপুর-বসিলা ব্রিজের সুগম সড়ক যোগাযোগ, উর্বর কৃশিকেন্দ্রিক উৎপাদন এবং ঢাকা মেগাসিটি সংলগ্ন রিয়েল এস্টেট সম্ভাবনার সমন্বয়ে সাভারের অন্যতম শীর্ষ ঐতিহ্যবাহী ও অর্থনৈতিক ইউনিয়নে পরিণত হয়েছে। গহনা কারিগরদের হাতের জাদুকরী ছোঁয়া, তুরাগ-ধলেশ্বরীর শীতল বাতাস এবং উন্নত ডিজিটাল ই-সেবা ভাকুর্তা ইউনিয়নকে সাভার উপজেলার মানচিত্রে এক অত্যন্ত গর্বিত ও আন্তর্জাতিক সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত করেছে।
ইউনিয়নভিত্তিক বিশেষ সংবাদ ও হাইলাইটস
ভাকুর্তা দেশের প্রথম ‘স্মার্ট জুয়েলারি আর্টিসান ক্লাস্টার ও এক্সপোর্ট সেন্টার’ উদ্বোধন: কারিগরদের সরাসরি আন্তর্জাতিক বাজারে গহনা রপ্তানির নতুন দিগন্ত।
মোহাম্মদপুর-ভাকুর্তা সংযোগ সড়ক চার লেনে সম্প্রসারণ সম্পন্ন: ঢাকা শহর থেকে ভাকুড়্তায় পৌঁছাতে সময় লাগছে মাত্র ১৫ মিনিট।
ভাকুর্তা ইউনিয়ন পরিষদে ই-ট্রেড লাইসেন্স ও অনলাইন ডিজিটাল সার্ভিস চালুকরণ: ক্ষুদ্র কারুশিল্প উদ্যোক্তাদের দ্রুত সেবা প্রদান।
আমাদের লক্ষ্য ও বার্তা
এএফপি গ্লোবাল নলেজ হাব-এর মাধ্যমে আমরা ভাকুর্তা ইউনিয়নের একটি বস্তুনিষ্ঠ, তথ্যবহুল ও আধুনিক রূপরেখা উপস্থাপন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আন্তর্জাতিক গবেষক, বিনিয়োগকারী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ নাগরিকদের সুবিধার জন্য আমরা তথ্যের সঠিকতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করি।
ইমেইল: shababalsharif@gmail.com
ওয়েবসাইট: https://shababalsharif.com
যোগাযোগ করুন
ভাকুর্তা ইউনিয়নের প্রশাসনিক তথ্য, গহনা শিল্প বিনিয়োগ, ভ্রমণ বা নাগরিক সেবা সংক্রান্ত অনুসন্ধানের জন্য আমাদের সম্পাদনা দলকে বার্তা পাঠান:
ইমেইল: shababalsharif@gmail.com
ওয়েবসাইট: https://shababalsharif.com
